কিছু কথা
Hack Administrator Password In Windows 7,Xp And Vista
জাদুর মত তৈরি করুন নিজের “visiting card” না দেখলে মিস করবেন
ঝাপসা ছবি কে নিমিষেই পরিষ্কার করুন
কিছু সফটওয়্যার এর কী
Name=Sujon
SERIAL = B33C-5B59-5D62-B57F-E7C9-004F-
Hero Super Player 3000
Serial : d5de-lkgv-5pq1-3q3q
Cyberlink PowerDVD 5 Delux Edition
CD-Key : DX88183R73239812
SN : 10000360
Microsoft Office 2007
CD KEY : FM9FY TMF7Q KCKCT V9T29 TBBBG
ADOBE PHOTOSHOP 7.0 FULL VERS
Serial Number: 1045-1209-6738-4668-7696-2783
PhotoFiltre Studio 8.1
Serial Number: 78B77-C5370-8D427-CB077
ILLUSTRATOR_10 (Photo Shop)
Serial Number: 1034-1003-4400-0000-1115-2040
Acronis DiskEditor
License Code: W7A8M-8H75T-ZP4L2-N5NA6-26S63
Acronis MigrateEasy
icense Code: YJ2M3-N9K3S-X74L2-K5QN7-27J3T
Acronis RecoveryExpert
License Code: NPCC2-7F23W-Y92M4-65LY2-AK4GA
POWERQUEST LOST&FOUND V1.06
License Code : 2453-8301-1129-1614
করবেন নাকি ইন্টারনেট শেয়ারইং
এজন্য 283kb “AnalogX Proxy” (প্রক্সি সার্ভার) নামে একটা সফটওয়্যার প্রয়োজন। তাই এই লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করি। আবার যে কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেট শেয়ার দিতে চান সেই কম্পিউটারে AnalogX Proxy সফটওয়্যারটি (ধরি এই কম্পিউটারের আইপি 192.168.1.1) ইনস্টল করে নিন। এবার Start>Programs>AnalogX থেকে Proxy চালু করুন। তবে কম্পিউটার চালু হবার সময় Proxy চালু করার জন্য এর শটকাটটি স্টার্টআপে রাখলে ভাল হয়। ব্যাস এবার যে কম্পিউটারে ইন্টানেটের সংযোগ নিতে চান সেই কম্পিউটারের ব্রাউজার প্রক্সি সেট করুন এবং অনায়াসে ইন্টারনেট ব্যবহার করুন।
ফায়ারফক্স: ফায়ারফক্সে প্রক্সি কনফিগার করার জন্য Tools মেনু Option এ যান। এবার Advanced ট্যাবে Network থেকে Settings বাটনে ক্লিক করুন। এখানে Manual Proxy Configuration এ টিক দিয়ে আইপি 192.168.1.1 লিখুন এবং ডানের পোর্ট নম্বর দিয়ে OK করে বের হয়ে আসুন।
মনে হয়না খুব কঠিন কাজ তাই একটু চেষ্টা করলে আপনি পারবে আর যদি কাজ করতে কোন অসুবিধা হয় তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন।
এখন আমরা হারিয়ে যাব সুরএর ভবনে।
এখন আমরা হারিয়ে যাব সুরএর ভবনে। কার-না ইচ্ছা করে মনের মত সুর তুলতে কিন্ত সুর তোলা কি এত সোজা? হাঁ আমি বলব সোজা কিন্ত এর জন্য লাগবে চর্চা।
তাই আসুন পিয়ান চর্চা করি এবং মন খুলে পিয়ান তে সুর তুলি।
আজ আপনাদের সুন্দর একটা পিয়ান উপহার দিব।
১। পিয়ানটি ডাউনলোড করুন এই লিঙ্ক থেকে। [file size: 1.19mb]
৪। লাল দাগ দেওয়া ফাইলটিতে ডবল ক্লিক করুন।
ব্যাস আপনার কাজ শেষ এখন মাউস অথবা কীবোর্ড দিয়ে পিয়ান বাজান।
কেমন লাগছে বাজাতে। হুম মজা তাই না।
এই ভাবে মজাই মজাই আমাদের দিন পাড়ি হোক।
এই কামনায়
এখানেই বিদায়
ভাল লাগলে জানাবেন।
DJ বাজানো খুব সোজা,যদি জানা থাকে বাজানোর নিয়ম এবং সুন্দর একটা DJ সফটওয়্যার

আসা করি সবাই ভালো আছেন। আজকে আবারও হাজির হয়েছি অসাধারণ একটি ডিজে সফটওয়্যার নিয়ে। সফটওয়্যার এর নাম “Club DJ Pro” । এই সফটওয়্যারটির অনেক মূল্য আমি দিচ্ছি ফ্রী তে ফুল ভার্সন। যারা ডীজে হবার শখ রাখেন তারা এটি দিয়ে নিজের ডিজে জীবন শুরু করে দিতে পারেন।
এক নজরে Club DJ Pro কিছু ফিচার দেখে নিনঃ
* Real-time dynamic BMP detection (Audio/Video)
* Precise playback control: play, pause, position, tempo, pitch, pitch bend
* Pin-Point Pitch controls (Audio/Video)
* Pin-Point Tempo controls (Audio)
* Precise video positioning frame-by-frame, forward and backward
* Dual audio/video/karaoke playback in two independent decks
* Dual video preview displays
* Frame-exact audio and video synchronization
* Audio/video mixing (crossfader) with 6 different video mixing effects
* Dual video output system. The mixed output is projected full-screen to output devices (TV, projector, etc.) while maintaining preview on your PC monitor
* Support for up to 2 live cameras (USB, 1394…) simultaneously with the dual video playback
* Customizable image & logo overlay
* On screen text messaging: scrolling tape, static text
* Supports unlimited # of video screens
* 60 New Ambient Visualizations!
* Auto Crossfade control
* Aspect-ratio video playback
* External Controller Support: DAC-2 & ALL Hercules Consoles
* Dual audio outputs for using an external audio mixer
* Built-in emulated audio mixer with full PFL capabilities
* Playlist editor with auto-mix and auto-fade capability, seamlessly mixing audio, video and karaoke files
* Fade Now! Function for mixing current track with next one at any time
* DRM-Enabled for Windows Media files.
* 8 mixing Sampler decks
* 22 Cue points per deck
* Cue point indicator
* Set Cue points within a fraction of a millisecond
* Custom Looping
* Volume Normalization
* Treeview record case
* Drag and Drop Media Library
* Quick Media Search (Scan your Media Library by artist, title, album, BMP, length, year or genre)
* History List
* Save & Load Playlist
* Shuffle playlist feature
* Auto-Crossfading Feature
* 6 different video transition effects
* Acceleration 3D card support
* Custom video performance options (control quality vs performance)
* VU Meter display
* DRM enabled (Digital Rights Managed)
* +12db/-24db 3-band equalizers automatic gain correction
* Quick “Fade Now” button
* Fast/Smooth Video transitions
* Sound Effects
* External video mixer support.
আর দেরি না করে এখনি ডাউনলোড করি Club DJ Pro সফটওয়্যার নিচের লিঙ্ক থেকে।
ডাউনলোড লিঙ্কWin7 এর password ভুলে গেছেন ! এখনি password রিমুভ করুন
তার জন্য যা করতে হবে তা হল ছোট্ট একটি Bootable (ISO) software (8.44 MB) সিডিতে কপি করতে হবে, কপি শেষ হলে যে কম্পিউটারের password রিমুভ করা ধরকার সেই কম্পিউটারের CD-ROM-এ password রিমুভ করার সিডিটি ঢোকান, তার পর কম্পিউটার Restart করে CD থেকে Boot করুন, তার পর দেখবেন উইন্ডোজ এক্সপির মত সেটাপ হচ্ছে, তা দেখে ভয় পাবেন না বা ভাববেন না যে উইন্ডোজ এক্সপি সেটাপ হচ্ছে। একটু অপেক্ষা করুন দেখবেন Dos mod চলে আসছে এবং সেখানে সব গুলো ড্রাইব স্কেন করে যে ড্রাইবে উইন্ডোজ আছে সেটা দেখাবে।
প্রথম ধাপে আপনাকে ড্রাইব সিলেক্ট করতে বলবে ( ড্রাইব এর পাশে যে নাম্বার দেওয়া থাকবে সেটা চেপে এন্টার দেন) তার পর দ্বিতীয় ধাপে সব গুলো ইউজার নিছে দেখাবে এখান থকে যে ইউজার এর password রিমুভ করবেন সেই ইউজার এর পাশের যে নাম্বার দেওয়া থাকবে সেটা চেপে এন্টার দেন। তার পর আপনাকে বলবে আপনি কি সত্যি-ই password টি রিমুভ করতে চান ? উওর Yes হলে (Y) আর No হলে (N) চেপে এন্টার দিয়ে সিডি টি বের করে কম্পিউটার Restart করে দেখেন আর password দেওয়ার জন্য বলছে না। ভাল লাগলে মন্তব্য করবেন আর Bootable software টি ডাউনলোড করুন নিচের লিংক থেকে।
কম্পিউটার, পেন্ড্রাইভ এবং যে কোন মেমোরি কার্ড এর হারানো ফাইল ফেরত আনুন
আজ একটি ছোট সফট ওয়্যারের কথা নিয়ে আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। ছোট হলেও অনেক জরুরী,আমরা যারা কম্পিউটার নিয়ে নাড়া চাড়া করি তাদের জন্যতো বটেই। কিছুদিন পূর্বে আমার একটি ফোল্ডার মুছে গিয়ে বড় বিপদে পড়েছিলাম, তখন এগিয়ে এলেন আমাকে সাহায্য করার জন্য আমার প্রিয় একজন অভি ভাই। তার পূর্বেই বিভিন্ন রিকভারি সফট দিয়ে ফোল্ডারটিকে ফেরত আনার চেষ্টা করি, ভাল ভাবে সফল হতে পারিনি। অভি ভাইয়ের পরামর্শ মত Recuva নামের সফট দিয়ে চেষ্টা করলাম এবং বেশ কিছু রিকভারি করা গেল কিন্তু সব পেলাম না। সর্বনাশ যা হবার তা আগেই হয়ে গেছে। এখন ভাবি ইশ সফটি যদি আর একটু আগে পেতাম তাহলে ফোল্ডারটি সম্পূর্ণ ফেরত পেতে পারতাম। আজ উল্লেখিত Recuva সফটি ভাল করে ঘাটাঘাটি করে যা দেখলাম, আশ্চর্য না হয়ে পারলাম না। হা বন্ধুরা এটা দিয়ে আপনার কম্পিউটার, পেন্ড্রাইভ এবং যে কোন মেমোরি কার্ড এর হারানো ফাইল ফেরত আনা সম্ভব ও কম্পিউটার এর যে কোন ড্রাইভ এর ক্ষেত্রেও একি কথা প্রযোজ্য। আর দেরি কেন তবে, দেখি এটা কি ভাবে কাজ করে। প্রথমে আপনাকে Recuva সফটি(মাত্র ২.৩৩ MB) এই লিংক থেকে ডাউনলোড করে ইন্সটল করতে হবে সফটওয়্যারটি ইন্সটল করার পর ডেস্কটপের Recuva আইকনে ক্লিক দিয়ে ওপেন করুন নিচের চিত্রের মত আসবে
আপনার পেনড্রাইভকে সহজে Bootable করুন এবং ঐ পেনড্রাইভ দিয়েই install করুন আপনার পছন্দের Windows
আপনারা হয়ত সবাই কমবেশি অনেক পদ্ধতি জানেন কিভাবে পেনড্রাইভ দিয়ে আপনি আপনার পছন্দের উইন্ডোজ ইন্সটল করবেন। কিন্তু কোডিং করে এই পদ্ধতিটি অন্য যে কোন পদ্ধতির চাইতে আলাদা এবং সহজতর হবে।
প্রথমে আপনি Sart মেনু থেকে All Programs এ গিয়ে Accessories এ যান এবং command prompt কে Run as administrator দিয়ে ওপেন করুন। এবার পর্যায়ক্রমে নিচের কমান্ড গুলো লিখুন। মনে রাখবেন প্রতিটি কমান্ড লিখে এন্টার করতে হবে। এবার পর্যায় ক্রমে কমান্ডগুলো লক্ষ্য করুন:
diskpart
list disk
select disk 1
list partition
select partition 1
active
select partition 1
list partition
exit
K:\boot\bootsect.exe /nt60 K: /nhr
এখানে K: দ্বারা পেনড্রাইভটির ড্রাইভ লেটার বুঝানো হয়েছে। আপনার পিসিতে পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার কি সেটা বসাবেন।
এবার আপনি কম্পিউটার টি রিস্ট্যাট করুন এবং bios গিয়ে first boot হিসেবে পেনড্রাইভ সিলেক্ট করুন। এরপর নিচের মত চিত্র দেখবেন
এখন যে কোন কি প্রেস করলে পেনড্রাইভ থেকেই উইন্ডোজ 7 install হতে শুরু করবে।
Trial version software কে বানিয়ে ফেলুন Full version
আজ আমরা যে সফটওয়্যারটি সম্পর্কে আলোচনা করব তার নাম Time Stopper। আপনি এই সফটওয়্যারটি
ব্যবহার করে যে কোন Trial version software কে Full version করতে পারবেন ।
এই সফটওয়্যার দিয়ে আপনি নির্দিস্ট একটা সফটওয়্যারের সময়কে বেধে দিতে পারবেন। এর ফলে আপনার ট্রায়াল
পিরিয়ড কখনোই শেষ হবে না।
সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে
১.সফটওয়্যারটি এই ঠিকানা থেকে নামিয়ে সেটাপ করে চালু করুন।

২.তারপর যে সফটওয়্যারের সময় বেধে দিতে চান সে সফটওয়্যারটি সেটাপ করে চালু করুন।

৩.এবার Browse বাটনে ক্লিক করে যে সফটওয়্যারের সময় বেধে দিতে চান তার exe ফাইলটি select করুন।
(যেখানে আপনি সফটওয়্যারটি সেটাপ করেছেন তার exe ফাইলটি select করুন। )
৪. তারপর Chose the new date এ ক্লিক করে একটা তারিখ নির্ধারন করে দিন।
আপনার তারিখটা যেন ট্রায়াল সফটওয়্যারটির ট্রায়াল পিরিয়ডের বাইরে না হয়।
সফটওয়্যারটি যেদিন সেটাপ করবেন তার পরবর্তী তারিখ নিবার্চন করুন ।
(যেমন: আমি সফটওয়্যারটি 11/28/2010 তারিখে সেটাপ করেছি কিন্তু তারিখ নির্বাচন করেছি
11/29/2010 )
৫.এখন ট্রায়াল সফটওয়্যারটির যেকোন নাম লিখে Create desktop short-cut বাটনে ক্লিক করুন।
ডেস্কটপে একটা শর্টকাট তৈরী হবে। এখন থেকে আপনি এই শর্টকাট ব্যবহার করেই ট্রায়াল সফটওয়্যারটি চালু করবেন।
৬. তারপর Exit বাটনে ক্লিক করুন ।

৭. তারপর ট্রায়াল প্রোগ্রামের আসল শর্টকাটটি delete করে দিন ।

এখানে দেখাচ্ছে Trial 19 days left কিন্তু এই সময় আর কমবে না সবসময় এটাই দেখাবে কারন সময়কে বেধে
দেওয়া হয়েছে ।
এখন আপনি এই ট্রায়াল ভার্শন সফটওয়্যারকে ক্র্যাক/সিরিয়াল ছাড়াই আজীবন ব্যবহার করতে পারবেন
xp কে যেভাবে win7 বানাবেন
XP ডিফল্ট থিম, এ্যাপ্লিক্যাশন'টি ইন্সটল করার পূর্বে:
এ্যাপ্লিক্যাশন'টি ইন্সটল করার পর:
অথবা চাইলে ব্ল্যাক এডিশন'টি ডাউনলোড করতে পারেন:
Face দিয়ে লক করুন আপনার পিসি
এসে গেছে….. এসে গেছে…..এসে গেছে…..
Face Password!!!
krrish movie এর মত কম্পিউটার লক করার সফটওয়্যার!!!
আপনার কম্পিউটার এখন আপনাকে ছাড়া ওপেন হবে না!!!
আপনার কম্পিউটার এর Password হবে আপনার Face!!!
আপনার Face দেখে আপনার কম্পিউটার ওপেন হবে!!!
যদি অন্য কেউ কম্পিউটারের সামনে আসে বা কম্পিউটার ওপেন করার চেস্টা করে তাহলে এই
সফটওয়্যার টা তার ছবি তুলে রাখবে!!!
প্রফেশনাল দের মতো ছবি এডিট করতে চান মাত্র ৬এমবি এর সফটয়্যার দিয়ে
প্রফেশনাল দের মতো ছবি এডিটর করতে চান? তাহলে নিচের সফটয়্যার টা আপনার জন্যই। আপনারা অনেকে অবশ্য ভাবছেন ফটোসপের মতো হবে না। আপনি এই সফটয়্যার দিয়ে কোনও ছবি এডিটর ও করেন তবে যে কেউ বলবে যে এই কাজ ফটোসপ ছাড়া সম্ভব নয়। কথায় বলে না All good things come in small pakeges. এটাও তেমনিই। এটা দিয়ে ছবি এডিট না করা পর্যন্ত আপনি বিশ্বাসই করতে পারবেন না।
এতক্ষণ ধরে যার কথা বলছিলাম টার নাম PhotoInstrument.
সফটয়্যার টা দিয়ে আপনি নিম্নলিখিত কাজগুলো করতে পারবেন,
- বিকৃত চেহারা যেমন চেহারার কালও দাগ, লাল দাগ প্রভৃতি মোছা যায়
- দেহের যেকোনও অংশ রোগা বা মোটা করা যায়
- ছবির মধ্যে অবস্থিত যে কোনো অবাঞ্ছিত অংশ বাদ দেওয়া যায় [অবশ্য টা অনেক সময় ছবির ওপর নির্ভর করে]
- রেডআই সমস্যা দূর করা যায়
- চামড়া পরিষ্কার অর্থাৎ সাদা করা যায়
- হলিউডের মতো মেকাপ করা যায়…. প্রভৃতি।

ডাউনলোড লিঙ্ক অথবা এই লিঙ্ক
ভাল লাগলে জানাবেন।











