^ সবার উপরে যেতে চান,আমাকে হিট করুন

খোঁজ করুন

Páginas

Showing posts with label হ্যাকিং টিপস. Show all posts
Showing posts with label হ্যাকিং টিপস. Show all posts

সেন্ড করুন Password Protected মাসেস

যদি আপনি প্রয়োজনীয় ফাইল
যেমনঃ
১.credit card numbers
২.Bank details
৩. any account password  etc
নিরাপদে সেন্ড করতে চান তাহলে অবশ্যই Password Protected করে সেন্ড করা উচিৎ।


এর পরে যেকোনো হ্যাকার যদি আপনার ইমেইল হ্যাক করে তাহলে ওইসব প্রয়োজনীয় ইনফর্মেশন তাঁরা জানবে না।
তাই জেনে রাখুন কিভাবে Password Protected মাসেস সেন্ড করবেন।


যেভাবে কাজ করবেনঃ
১. প্রথমে নিচের ছবিতে ক্লিক করে একটি অ্যাকাউন্ট করুন



২. সকল তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্টটি অ্যাক্টিভ করুন
৩. নিচের ছবির মতো আপনার মাসেস টাইপ করুন এবং পাসওয়ার্ড দিন

৪. সব শেষে submit ক্লিক করুন
৫. এবার একটি  password protected mail সেন্ড হইল
৬. যখন প্রাপক মেইলটি পাবে তখন ওপেন করতে গেলে নিচের মতো একটা secret key বক্স আসবে।


প্রাপক কে অবশ্যয় মোবাইল অথবা নরমার ইমেইল করে secret key সেন্ড করে দিবেন।
বিস্তারিত পড়ুন ... »

“Wi-Fi Password Recovary” হ্যাক করুন বিশ্বের যে কোন পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক।

“দয়া করে কারো ক্ষতির উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবেন না”
ওয়াইফাই কি এবং কিভাবে কাজ করে
WLAN বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক কী:

মোবাইল ব্রডব্যান্ড বনাম ওয়াইফাই হটস্পট:

ওয়াইফাই কনফিগারেশন
“তথ্য এবং চিত্র সংগ্রেহিত”

ওয়াইফাই জোন
এটি নিয়ে কাজ করার আগে সবার প্রথমে আপনার পিসির এন্টিভাইরাসের প্রোটেকশন পজ বা টোটালি অফ করুন।
**আমার পিসিতে ওয়াইফাই কার্ড এবং আমার এলাকায় ওয়াইফাই জোন  নেই বিধায় কিছু স্ক্রীনশট দেখাতে পারলাম না।
এখানে একটা কথা বলতে চাই যে “চুরি বিদ্যা মহা বিদ্যা যদি না পড়ে ধরা”
আজ আমি আপনাদের সাথে যে সফটওয়্যারটি শেয়ার করবো তার নাম “Wify Password Recovary”। চলুন প্রথমে জানি,
একটি সীমিত এলাকা অর্থাৎ একই ভবন, পাশাপাশি অবস্থিত ভবন অথবা একটি অফিস বা এপার্টমেন্টে অবস্থিত কমপিউটারসমূহ, প্রিন্টার ও অন্য কোন বিশেষ ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মধ্যে তারের পরিবর্তে রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে স্থাপিত আন্তঃসংযোগ ব্যবস্থাকে ওয়ারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN)বলে।
উপরের ছবিটি একটি ব্রডব্যান্ড লাইন থেকে একাধিক কমপিউটারে ইন্টারনেট কানেকশনের একটি ওয়ারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক। এই ধরনের নেটওয়ার্কে প্রয়োজন একটি মডেম ও একটি ওয়ারলেস রয়টার। যে কোন কমপিউটারে ওয়্যারলেস এডাপটার অথবা ওয়্যারলেস কার্ড ইন্সটল থাকলে এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেকশন শেয়ার করতে পারবে।
একটি ওয়াইফাই রয়টার/একসেস পয়েন্ট/এন্টিনার মাধ্যমে কোন বিশেষ স্থানে যখন ওয়ারলেস ইন্টারনেট কানেকশনের সুবিধা প্রদান করা হয় তখন সেই স্থানকেHot Spot বলা হয়। একাধিক একসেস পয়েন্ট/এন্টিনার মাধ্যমে সৃষ্ট হটস্পটগুলোকে সমন্বয় করে যখন বড় এলাকা ভিত্তিক একটি ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক তৈরি হয় তখন সেই এলাকাকে Wi-Fi Zone বলা হয়।
মোবাইল ব্রডব্যান্ড সেবা সাধারণত মোবাইল ফোনের কোম্পানীগুলো দিয়ে থাকে। সুতরাং প্রায় সব জায়গা থেকে (মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক) মোবাইল ফোন বা ওয়ারলেস মডেমের সাহায্যে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়া যায়। ওয়াইফাই হটস্পটে এই সুযোগ একটি সীমিত এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। ইদানীং বড় বড় শহরের বাস/ট্রেন স্টেশন, শপিং সেন্টার গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসমূহে ওয়াইফাই জোন সৃষ্টি করা হচ্ছে। মোবাইল ব্রডব্যান্ড সার্ভিসের মাসিক চার্জ বেশী। এছাড়া একদেশ থেকে অন্য দেশে গেলে মোবাইল ব্রডব্যান্ড সার্ভিস কাজ করে না, যদি কাজ করে তবে চার্জ হয় খুবই বেশী। তাই নিজস্ব ল্যাপটপ বা মোবাইল ফোন থেকে প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য ওয়াইফাই হটস্পট থেকে ইন্টারনেট কানেকশন সস্তা। ইদানিং বিভিন্ন শহরের ওয়াইফাই হটস্পটের তালিকা নেটে পাওয়া যায়।

ইদানিং নতুন মডেলের অনেক ল্যাপটপে ওয়াইফাই কার্ড আগে থেকেই ইনস্টল করা থাকে। আর না থাকলে আলাদা ওয়াইফাই এডাপটার/কার্ড কিনতে পাওয়া যায়। কার্ডের সাথে ইনস্টল-কনফিগারেশনের নিয়ম লেখা থাকে। এটা তেমন কঠিন নয়, এডাপটার/কার্ড সংযুক্ত করে কমপিউটার অন করলে অটো-ডিটেক্ট হয়ে কনফিগারেশন উইনডোজ চলে আসে।
কিছু ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক জোন থাকে ফ্রি।
ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে যদি কোন ওয়াইফাই সেবা দেওয়া হয় তবে সেই নেটওয়ার্ক পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড থাকে যাতে ক্লায়েন্ট ছাড়া কেউ ইউজ না করতে পারে। শুধু মাত্র ক্লায়েন্ট তার পাসওয়ার্ড দ্বারা নেটওয়ার্কে অ্যাক্সেস করতে পারে।
আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব এমন একটি প্রোফেশনাল হ্যাকিং সফটওয়্যার যার মাধ্যমে দুনিয়ার তাবৎ পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের, পাসওয়ার্ড ক্র্যাক করতে পারবেন এবং বিনা মুল্যে পুরো সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।  কথা না বাড়িয়ে চলে যাই সচিত্র বর্ননায়।
এন্টিভাইরাসের প্রোটেকশন পজ বা টোটালি অফ করার কথা বলা হয়েছে এই কারনে, কারন এন্টিভাইরাস এটিকে হারমফুল সফটওয়্যার হিসাবে ডিটেক্ট করবে এবং আপনাকে কাজ করতে দিবেনা।
তারপর ডাউনলোড করে নিন “Wifi Password Recovary” সফটওয়্যারটি।
সফটওয়্যারটির বাজার মুল্য  1099$ মানে বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৭৭০০০ টাকা!!  আর আমি এটি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি বিনামুল্যে।
১. প্রথমে সফটওয়্যারটি ইন্সটল করুন এবং রান করান। প্রয়োজনীয় ড্রাইভার ইন্সটল করুন।
২. “Rules” Tab এ যান এবং “Enable advanced rules” এ টিক দিন।
৩. “Formula” বক্সে নিচের কোডটি পেস্ট করুন, “tods=1 and dmac=FF:FF:FF:FF:FF:FF” (চিত্রের মত) এবং “Name” বক্সে টাইপ করুন “a” (চিত্রের মত)। তারপর “Add/Edit” ক্লিক করুন।
৪. উপরের মত উইন্ডো আসবে। চিত্রের মত “a” তে টিক দিন।
৫. এবার “Settings” এ গিয়ে “option” ক্লিক করুন।
৬. “Memory Usages” Tab এ যান এবং হুবহু চিত্রের মত করে সেটিং করে Ok করুন। (যদি রিস্টার্ট চায়,  রিস্টার্ট করুন)
৭. ডান দিকে উপরে তিনটি ফানেল দেখা যাচ্ছে, D লেখা প্রথম ফানেলটি চেক করে বাকি দুটি আনচেক করুন।
৮. তারপর Search বাটনটি ক্লিক করুন এবং যে নেটওয়ার্ক টি ক্র্যাক করতে চান তা খুজে বের করুন।
৯. তারপর তা “Channels” Tab এ ড্র্যাগ করে সিলেক্ট করুন এবং চিত্রানুযায়ী  Capture বাটন ক্লিক করুন।
১০. এখন অন্য যে এডাপ্টার যেটি কোন কিছু Capture করছে না সেটি দিয়ে পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড নেটওয়ার্কে কানেক্ট করুন, যখন পাসওয়ার্ড চাইবে তখন আপনার ইচ্ছামত কিছু যেমন 123456 দিয়ে দিন।
১১. তখন এই মেসেজ দেখাবে “Connected with limited connectivity” ( আমার পিসিতে ওয়াইফাই কার্ড এবং আমার এলাকায় ওয়াইফাই জোন  নেই বিধায় স্ক্রীনশট দেখাতে পারলাম না)
১২. পুনরায় মেইন মেনুতে যান এবং “Packets” Tab এ যান, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে,  উপরের চিত্রের মত কিছু Packet এর Couple দেখতে পারবেন।
১৩. “ARP REQ” নামের Packet এ রাইট ক্লিক করুন তারপর “Send Packet(s)” এ গিয়ে Selected ক্লিক করুন।
১৪. উপরের মত একটি মেনু আসবে।
১৫. এখন চিত্রের মত Value গুলি চেঞ্জ করুন। তারপর “Send” বাটন ক্লিক করুন।
১৬. পুনরায় মেইন মেনুর “Rules” Tab এ যান এবং আপনার তৈরিকৃত Rule টি আনচেক করুন।
১৭. প্রথম ২০০০০ Packet সিলেক্ট করুন এবং Save করুন। অবশ্যই মনে রাখবেন যে কথায় এটি সেভ করেছেন। “Save as” করার সময় “ncf” ফাইলের পরিবর্তে “dump cap” ফাইল হিসাবে সেভ করুন। ( আমার পিসিতে ওয়াইফাই কার্ড এবং আমার এলাকায় ওয়াইফাই জোন  নেই বিধায় ২০০০০ Packet এর লিস্ট দেখাতে পারলাম না)
১৮. এখান থেকে Aircrack-NG জিপ ফোল্ডারটি নামিয়ে নিন। এবং Extract করুন।
১৯. bin ফোল্ডারে যান এবং aircrack-ng-GUI.exe ফাইলটি চালু করুন। তারপর যে Packet গুলো সেভ করেছিলেন সেগুলো ওপেন করে সিলেক্ট করুন এবং launch বাটন ক্লিক করুন।
২০. একটি IV এর লিস্ট দেখতে পাবেন তারপর যে নেটওয়ার্ক ক্র্যাক করতে চান সেটি সিলেক্ট করুন।
২১. Connected ক্লিক করুন, যাদুর মত connected হয়ে যাবেন আপনার কাংখিত নেটওয়ার্কে।
এটির সাহায্যে আর যেসব কাজ করতে পারবেন…………………………
undefined
এটির সাথে যে স্ক্রীনশটহীন ইংলিশ টিউটোরিয়াল ছিল এই হল তার মোটামুটি স্ক্রীনশট সহ বাংলা টিউটোরিয়াল। ইংলিশ টিউটোরিয়াল সাথে দেওয়া আছে, কোন সমস্যা হলে দেখে নিতে পারেন। এছাড়া হেল্প মেনুতে আরো ডিটেইল দেওয়া আছে।
তাই সাবধানে ইউজ করুন। আর ভুলেও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সেনাবাহিনী বা এ টাইপের কোন নেটওয়ার্ক ক্র্যাক করবেন না। ধরা খাইলে কিন্তু আমি দায়ি থাকবো না।
(COLLECTED)
বিস্তারিত পড়ুন ... »

হ্যাকিং সম্পর্কে জানুন সাথে কিছু হ্যাকিং টিপস (মেগা পোস্ট-3)

আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে আবারও স্বাগতম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট শুরু করছি। আছেন কেমন আপনারা? আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে ভাল আছেন। ভাল থাকবেন এটাই কামনা সবার জন্য।

( ৩য় পোস্ট ) 

হ্যাকিং করার আগে ভাল ভাবে জেনে নেওয়া উচিৎ কিভাবে বিখ্যাত হ্যাকাররা হাছিং করেছেন এবং তার ফলে তাদের সাজা কি হয়েছিল। হ্যাকিং বর্তমানে সারা পৃথিবী জুড়েই একটা পরিচিত শব্দ। বেশির ভাগ সময়ই দেখা যায় যে, হ্যাকাররা সুরক্ষিত সব কম্পিউটার নেটওয়ার্ক আর কম্পিউটার সিস্টেম হ্যাক করে কোন আর্থিক লাভের জন্য নয়, স্রেফ “দেখিয়ে দিলাম, আমরাও পারি” এই ধরনের উপলব্ধি থেকে।এরা সাধারণত খুব অহংকারী, দুর্বিনীত, এবং মেধাবী হয়। তো…. আসুন সে রকম কয়েকজন হ্যাকারের সাথে আজ আমরা পরিচিত হই…….

১. জন ড্রেপার


Jhon Draper



হ্যাকার নামটা সর্বপ্রথম প্রদান করা হয়েছিল এরকম হাতেগোনা মানুষের মধ্যে জন ড্রেপার অন্যতম। তাকে বলা হয় হ্যাকিংএর আদি পিতা। ১৯৭০ দশকে আমেরিকাতে ক্যাপ’ন ফ্রেঞ্চ নামে একটা খাবার বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। একবার ক্যাপ’ন ফ্রেঞ্চের নির্মাতারা তাদের পন্যের প্রচার কৌশল হিসেবে এর প্যাকেটের ভিতরে একটি খেলনা হুইসেল দেয়া শুরু করে। আর ড্রেপার এই হুইসেল দিয়েই তার কার্য সিদ্ধি করে। ড্রেপার খেয়াল করেছিল যে, একটি সক্রিয় টেলিফোন কল শেষ হলে টেলিফোন এক্সেঞ্জ থেকে যে স্বয়ংক্রিয় শব্দটি প্রদান করা হয় তার সাথে এই হুইসেলের হুবহু মিল আছে। সে কল করার পর নির্দিষ্ট একটি সময়ে ওই হুইসাল দিয়ে শব্দ করতো যা থেকে এক্সেঞ্জ মনে করতো কলটি বোধয় শেষ হয়েছে। কিন্তু যেহেতু কলটি ছিল ড্রেপারের বানানো তাই বাস্তবে কলটি শেষ হত না। তাই হুইসেল বাঁজাবার পরে ড্রেপার ইচ্ছে মত কথা বলতে পারতো এবং এর জন্য তাকে বাড়তি কোন বিল দিতে হত না। কিন্তু বিধি বাম….. বছর দুই এভাবে চলার পর অবশেষে ধরা পড়ে ড্রেপার আর, সাজা হিসেবে তাকে দুই মাস জেলে কাটাতে হয়।

২.কেভিন মিটনিক

kevin mitnick দুনিয়া কাঁপানো সব সাইবার অপরাধী | Techtunes
হ্যাকিং এর জগতে অন্যতম বিখ্যাত হ্যাকার হচ্ছে কেভিন মিটনিক। ১৯৮১ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে হ্যাকিং এর ভূবনে পদার্পন করে মিটনিক। প্রথমে টুকটাক হ্যাকিং করলেও সিরিয়াসলি হ্যাকিং শুরু করে ১৯৮৩ সালের দিকে। সে সময়ে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যালোলিনার ছাত্র ছিল সে। একদিন ইন্টারনেটে পূর্বসুরি আরপানেটে অ্যাকসেস পেয়ে যায় মিটনিক আর আরপানেট যেহেতু মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের একটি নেটওয়ার্ক ছিল সেহেতু মন্ত্রনালয়ের সকল স্পর্শকাতর সকল ফাইল দেখার সুযোগ পেয়ে যায় কেভিন মিটনিক। তবে সে কখনো এই ফাইল গুলোর অপব্যাবহার করে নি। পেন্টাগনের গোপন ফাইলে ঘুরে বেড়ানো ছিল তার শখের মতোই। কিন্তু এভাবে আর বেশিদিন চলে নি, আরপানেট-এর সিস্টেম এ্যাডমিন-রা টের পেয়ে যায় মিটনিকের অস্তিত্ব। অবৈধ ভাবে কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করার অপরাধে গ্রেফতার করা হয় তাকে এবং পাঠানো হয় সংশোধন কেন্দ্রে। কিন্তু মিটনিক পুরোপুরি সংশোধিত হয় নি। হ্যাকিং তার কাছে ছিল নেশার মত, আর এ কারণেই পরবর্তিতে তাকে বেশ কয়েকবার লাল দালানের ভাত খেতে হয়েছে।

৩.রবার্ট মরিস

morris2004 দুনিয়া কাঁপানো সব সাইবার অপরাধী | Techtunes
হয়তো দুনিয়া জোড়া বিখ্যাত হবার চিন্তা করেই হ্যাকিং শুরু করেছিল মরিস। ১৯৮৮ সালে কর্নেল ইউনিভার্সিটির ছাত্র থাকা অবস্থায় ৯৯ লাইনের একটা কোড লিখে ছেড়ে দিয়েছিল বিভিন্ন নেটওয়ার্কে। যা খুব দ্রুত শত শত কম্পিউটারকে আক্রমন করে। পরবর্তিতে এই কোড মরিস ওয়ার্ম নামে পরিচিতি লাভ করে। ধরা পরার পর মরিস আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলে, সে কোন খারাপ কাজ করে নি। কোড ছাড়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল ইন্টারনেটের সাথে কতগুলো কম্পিউটার সংযুক্ত আছে তা বের করা। শত শত কম্পিউটারকে আক্রমন করার অপরাধে ১৯৮৯ সালে গ্রেফতার হয় মরিস। পরে অবশ্য ১০ হাজার ডলার জরিমানা দিয়ে মুক্ত হয় সে।

৫.কেভিন পোলসেন

kevin poulsen দুনিয়া কাঁপানো সব সাইবার অপরাধী | Techtunes
১৯৮৯ সালে কেভিন পোলসেন মানের ২৪ বছর বয়সী এক যুবককে ফ্রেফতার করে এফবিআই। কম্পিউটার ও টেলিফোন সার্ভারে গোপনে প্রবেশের দায়ে গ্রেফতার করা হয় তাকে। কিন্তু গ্রেফতার করে বেশীদিন আটকে রাখা যায়নি তাকে। বিচার শুরুর আগেই কৌশলে জেল থেকে পালিয়ে যায় সে। এর মধ্যে সে একটি ঘটনা ঘটায় লস এঞ্জেলেসে। সেখানকার একটি রেডিও স্টেশন একবার ঘোষণা দেয়, একটি নির্দিষ্ট দিনে তাদের কাছে যত কল আসবে তার মধে ১০৩ নম্বর কলারকে দেয়া হবে একটি দামী পোর্শে গাড়ি। পোলসনও তার কাজের ধারা অনুযায়ী রেডিও স্টেশনের টেলিফোন সুইস বোর্ড লাইন হ্যাক করে বনে যান ১০৩ নম্বর কলার। তারপর দাবি করে পোর্শে গাড়িটি। কিন্তু এত কিছু করেও শেষ রক্ষা হয় নি। দ্রুতই সব ফাঁস হয়ে যায়। অবশেষে পালিয়ে যাবার ১৭ মাসের মাথায় পুনরায় গ্রেফতার হয় পোলসন।

৬.ভ্লাদিমির লেভিন

Vladimir Levin
কুখ্যাত হ্যাকার ভ্লাদিমির লেভিনের মূল টার্গেট ছিল বিখ্যাত সিটি ব্যাংক। কয়েকটি কর্পোরেট ইউজারের পাসওয়ার্ড হ্যাক করে তাদের একাউন্ট থেকে সে সরিয়ে ফেলে ১০.৭ মিলিয়ন ডলার। এসব টাকা সরিয়ে ফেলে সেগুলো পাঠিয়ে দেয় যুক্তরাষ্ট্র, ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, ইসরায়েল ও জার্মানির কয়েকটি ব্যাংক একাউন্টে। এ কাজ অবশ্য লেভিন একা করে নি, তার সহযোগী ছিলো আরো চার-পাঁচজন। তার সঙ্গী সাথীদের কয়েকজন বিভিন্ন দেশের ওই গোপন একাউন্টগুলো থেকে টাকা তুলতে গিয়ে ধরা পড়ে। লেভিন নিজেও ধরা পড়ে ১৯৯৫ সালে। বিচারে তার ৩ বছরের জেল ও ২.৫ লাখ ডলার জরিমানা করা হয়। আর খোয়া যাওয়া ডলারে ৪ লাখ বাদে বাকি সব অর্থই উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

৭.ডেভিড স্মিথ

david smith দুনিয়া কাঁপানো সব সাইবার অপরাধী | Techtunes
ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া সর্বপ্রথম ভাইরাসটির শ্রষ্টা হতে চেয়েছিল স্মিথ। ১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যে বসে চুরি করা একটি এওএল (আমেরিকা অনলাইন) একাউন্ট
থেকে একটি ওয়ার্ম ছেড়ে দেয় ইন্টারনেটে। ওয়ার্মটির নাম ছিল মেসিলা। যা পরবর্তিতে ইন্টারনেটে ঢুকে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে এবং প্রায় ৩০০টি বড় বড় কর্পোরেট প্রতষ্ঠানের নেটওয়ার্কে হামলা চালায়। এর মধ্যে মাইক্রোসফট, ইন্টেল, লুসেন্ট টেকনোলজির মত কোম্পানিও ছিল। গোটা আক্রমনট প্রায় ৮০ মিলিয়ন ডলারের সমপরিমান ক্ষতি সাধন করে। তবে কাজটি করে বেশিদিন শান্তিতে থাকতে পারেনি স্মিথ। বিচারে তার লম্বা মেয়াদের কারাবাস হলেও পরে তা কমিয়ে নিয়ে আসা হয় মাত্র ২০ মাসে।



 বন্ধুরা কেমন লাগল এত গুলো বিখ্যাত হ্যাকারদেরে সাথে পরিচিত হয়ে।এই রকম এখন আরও হাজার হাজার হ্যাকার আছেন যাদের নাম বলে শেষ করা যাবে না। তাই আমি আর কোন নতুন হ্যাকারদের খুঁজে দিব না, যদি আরও জানতে চান তাহলে আমার মত বই পড়েন।


এর পরের পোস্ট গুলো হ্যাকিং করা শিখাব। আশা করি আপনারা আমার সাথে থাকবেন।


আজকের মত এখানেই
খোদা হাফেজ
বিস্তারিত পড়ুন ... »

হ্যাকিং সম্পর্কে জানুন সাথে কিছু হ্যাকিং টিপস (মেগা পোস্ট-৪)

আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে আবারও স্বাগতম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট শুরু করছি। আছেন কেমন আপনারা? আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে ভাল আছেন। ভাল থাকবেন এটাই কামনা সবার জন্য।



( ৪র্থ পোস্ট )


হ্যাকিং তথ্য নিয়ে গত পোস্ট(৩য়) শেষ করেছিলাম কিন্তু খুব গুরুত্ব পূর্ণ একটা ইনফর্মেশন দিতে ভুলে গেছি যা আপমাদের (যারা হ্যাকিং নিয়ে কাজ করতে চান) জানা দরকার।


হ্যাকিং করার পরে কি কি ভুলের জন্য হ্যাকাররা ধরা পরে 
এবং কিভাবে ওইসব পথ বন্ধ রাখা যায়।


আমার মনে হয় আপনারা বুঝে গেছেন ব্যাপারটা কত জরুরি, ঘাটে আসে নৌকা ডুবানোর মত অবস্থা।
এইসব ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে।
হ্যাকিং করাকে অনেকে সহজ মনে করে।তারা নিজেদেরকে অনেক চালাক ভাবে :-(

হ্যাকারদেরকে অতি চালাক ভাবা হলেও তারাও কিন্তু অনেক সময় 
ফাঁদে পড়ে যায়। বিশেষ করে নবীন হ্যাকারদের ক্ষেত্রে এমনটি ঘটে থাকে। আমরা যখন ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করি তখন প্রত্যেকটি সংযোগের পেছনেই কাজ করে একটি করে নির্দিষ্ট আইপি অ্যাড্রেস। অর্থ্যাৎ যখনই আপনি ইন্টারনেটে সংযুক্ত হচ্ছেন তখন এই আইপি এড্রেসের মাধ্যমে একটি বিশেষ নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত আপনি। তাই ওই নেটওয়ার্কের পথ ধরে আপনাকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব।
হ্যাকারদের প্রধান হাতিয়ারই হলো ইন্টারনেট। তাই তারাও এই বিশেষ নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে নয়। ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে যে আইপি অ্যাড্রেসগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে তা হয় ইউনিক। অর্থ্যাৎ একই আইপি অ্যাড্রেস একাধিক থাকে না। একে বলা হয় স্ট্যাটিক আইপি অ্যাড্রেস। এটাকে তুলনা করা যেতে পারে একটি আইএসডি টেলিফোন/মোবাইল নাম্বারের সাথে। সাধারণত ইন্টারনেটে সংযুক্ত থাকা যে কোন কম্পিউটার থেকেই এই স্ট্যাটিক আইপিকে খুঁজে পাওয়া যায়। ইন্টারনিক নামক একটি প্রতিষ্ঠান এই আইপি অ্যাড্রেস বন্টন করে থাকে। বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশের জন্যই রয়েছে আলাদা আলাদা আইপি অ্যাড্রেসের বান্ডিল। তাই আইপি অ্যাড্রেসের রেঞ্জ দেখলেই বলে দেওয়া সম্ভব এটি কোন দেশের আইপি। যাহোক ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ কেনার সময় প্রত্যেকটি আইএসপি একাধিক আইপি এড্রেস পেয়ে থাকে। আর আইএসপিগুলো তাদের গ্রাহকদের মধ্যে তা বন্টন করে থাকে। অনেক আইএসপি আবার আইপি স্বল্পতার কারণে গ্রাহকদের প্রাইভেট আইপিও (যেটা ইউনিক নয়) দিয়েও থাকে। প্রাইভেট আইপি ইউনিক নয়, একই আইপি একাধিকজন ব্যবহার করতে পারেন। কিন’ ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাইরে থেকে এই আইপিকে খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে যে আইপি অ্যাড্রেসই হোক না কেন ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়ার জন্য যে কোন একটি স্ট্যাটিক আইপি অ্যাড্রেস এর মাধ্যমেই যেতে হয়।
যখন একজন হ্যাকার কোন একটি সার্ভারে প্রবেশ করে তখন তারা উক্ত সার্ভারে কোন আইপি থেকে কোন সময় প্রবেশ করলো তার সব তথ্যই সেখানে থাকে। একে বলা ‘এক্সেস লগ’।
তবে চালাক হ্যাকারদের ক্ষেত্রে এই টেকনিক খুব বেশি ফলপ্রসু হয় না। কারণ ঐসব হ্যাকাররা তাদের কাজ শেষে সার্ভার থেকে বের হওয়ার সময় উক্ত ‘এক্সেস লগ’ মুছে দেয়। ফলে কোন তথ্যই অবশিষ্ট থাকে না। আবার চালাক সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেটররাও তাদের এই এক্সেস লগ এবং সার্ভিস পোর্টগুলোকে এমনভাবে সাজিয়ে নেয় যেখানে চালাক হ্যাকারদের চালাকিও কাজ করে না।
কাজেই হ্যাকিং রোধে সার্ভারের নিয়ন্ত্রণ কর্তাদেরও হতে হয় হ্যাকারদের মতোই অভিজ্ঞ।

এখন ব্যাপারটা বুঝতে পারছেন ??
যদি এর পরও আপনার মনে কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে 

আমি একটি আইপি এড্রেস এর অবস্থান কীভাবে খুঁজে বের করা যায় টা শিখিয়ে দিচ্ছি।

আসুন সহজ পদ্ধতিতে একটি আইপি এড্রেস এর অবস্থান কীভাবে খুঁজে বের করা যায় তা দেখি-
পরীক্ষামূলকভাবে যে কোন একটি স্ট্যাটিক আইপি এড্রেস নির্বাচন করুন। এবার এই সাইটটিতে যান




ip lookup লিঙ্কে ক্লিক করুন। এবার নির্বাচিত আইপি এড্রেসটি বসিয়ে lookup ip address এ ক্লিক করুন। অল্প সময়ের মধ্যেই হাতে পেয়ে যাবেন উক্ত আইপি এড্রেসের অবস্থান এমনকি এর ব্যবহারকারির ঠিকানাও।


    হয়তো কেউ নিজেকে চালাক মনে করে ভাবতে পারে মোবাইল ফোনের ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করলে হয়তো তা সনাক্ত করা সম্ভব হবে না। এটাও একটি ভ্রান্ত ধারণা। অনেক সময় ভাবতে পারেন কোন ভুয়া ঠিকানায় সীম কার্ড রেজিস্ট্রেশন করে সেই সীমের মাধ্যমে হ্যাকিং করবেন। এখানেও ধরা পড়ে যাবে সব চালাকি! মোবাইলের নাম্বার ট্রেসআউট করে খুঁজে বের করা হবে অপরাধীকে। ভাবছেন ঐ সীমটিই ফেলে দিবেন? আশা করি অন্তত মোবাইল সেটটি তো আর ফেলবেন না! এরপর যে প্রতিষ্ঠানের সিম কার্ডই ব্যবহার করা হোক না কেন ঐ সেটটি চালু করলেই অপরাধী ধরা পড়ে যেতে পারে। কারণ প্রত্যেকটি মোবাইল সেটেই থাকে একটি বিশেষ প্রোডাক্ট নাম্বার যাকে বলা হয় IMEI নাম্বার। 

সাধারণত একটি সেটের IMEI নাম্বারের সাথে আরেকটির নাম্বার মিলে না। তদন-কারীরা অপরাধী সনাক্ত করার জন্য এই আইএমই নাম্বারটি দিয়ে দিতে পারে সবগুলো টেলিফোন প্রোভাইডার প্রতিষ্ঠানে। আর যখনই উক্ত আইএমই যুক্ত সেটটি চালু তৎক্ষণাত তাকে খুঁজে বের করা সম্ভব হবে কাহার দ্বারা হ্যাকিং করা হইয়াছিল।অতএব হ্যাকিং করার সময় বুঝিয়া শুনিয়া হ্যাকিং করিয়েন।



ঈদের পর আরও নুতন নুতন হ্যাকিং তথ্য এবং টিপস নিয়ে আপনাদের সাথে দেখা করব।

সবাইকে আমার পক্ষ থেকে ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা

ঈদ মোবারক



আজকের মত এখানেই
খোদা হাফেজ




বিস্তারিত পড়ুন ... »

হ্যাকিং সম্পর্কে জানুন সাথে কিছু হ্যাকিং টিপস (মেগা পোস্ট-২)

আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে আবারও স্বাগতম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট শুরু করছি। আছেন কেমন আপনারা? আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে ভাল আছেন। ভাল থাকবেন এটাই কামনা সবার জন্য।

২য় পোস্ট
হ্যাকাররা কেমন হয়ঃ
আমরা সাধারনত ভাবি সব হ্যাকারই এক ধরনের কাজ করে । অনলাইনে টাকা চুরি করা বা বিভিন্ন মানুষের আইডি চুরি করা বা ওয়েবসাইটের তথ্য চুরি করা ইত্যাদি ইত্যাদি ।কিন্ত ধারণাটা সর্ম্পূর্ন ভুল হ্যাকারদেরকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায় হোয়াইট হ্যাট,  ব্ল্যাক হ্যাট ও গ্রে হ্যাট।

হোয়াইট হ্যাট কারা
 ঃ
হোয়াইট হ্যাটওয়ালারা হল ভদ্র মানুষ এরা কারো কোন ক্ষতি করেনা । সাধারণত বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকুরীরত সিকিউরিটি প্রফেশনালরা এই দলভুক্ত। এদের হ্যাকিং ও হ্যাকারদের টুল সম্বন্ধে প্রচুর জ্ঞান এবং তা কাজে লাগিয়ে তারা সিস্টেমের দুর্বলতা বের করে প্রতিরোধ ব্যবস্হা গড়ে তোলে।

যেমনঃ মনে করুন মাইক্রোসফট
,গুগল সহ বড় বড় প্রতিষ্টানে এরা চাকুরি করে এবং তাদের সিস্টেমের বিভিন্ন দুর্বলতা খুজে বের করে এবং তা বন্ধ করার ব্যবস্হা করে

ব্ল্যাক হ্যাটঃ

ব্ল্যাক হ্যাটদের  কথা সবদিকেই শুনা যায় । এদের প্রোগ্রামিং স্কিল খুব ভালো কিন্তু তারা সেটা ব্যবহার করে অসৎ উদ্দেশ্যে। এরা সাধারণত ডেটাবেজ সিস্টেম, রিমোট মেশিনের নিরাপত্তা ভেঙে দেয়া, ক্রেডিট কার্ডের নম্বর চুরি করা, অবৈধ অনলাইন ট্রানজেকশান , আইডি চুরি করা, তথ্য চুরি করা ,বিভিন্ন ওয়েবসাইট হ্যাক করা ইত্যাদি অপকর্ম করে থাকে এবং মাঝে মাঝে এরাই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে এবং এদের নাম ধামই আমরা বেশি শুনি ।তবে ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের অনেকেই বলে ক্র্যাকার
হোয়াইট ও ব্ল্যাক এই দুই দলের মাঝখানে রয়েছে গ্রে হ্যাটরা। এরা হচ্ছে সুবিধাবাদী হ্যাকার। অবস্হা বুঝে এরা ব্যবস্হা নেয় কথনো এরা হোয়াইট কখনো আবার ব্ল্যাক । অনেক সময় এরা বিভিন্ন প্রতিষ্টানের দুবলর্তা ধরিয়ে দেবার বিনিময়ে টাকা নেয় বা সুযোগমত এরা এর ব্যবহার করে।

হ্যাকিং কিভাবে হয়ঃ
অনেক সময় পেপার পত্তিকায় দেখা যায় হ্যাকাররা কম্পিউটারে বসে কোনো ব্যাংকের বিভিন্ন অনলাইন অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা নিজেদের অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নিয়ে নিয়েছে বা পাসওয়ার্ড চুরি করে সিস্টেমটি নিজেদের ইচ্ছামতো চালাচ্ছে বা ওয়েবসাইট হ্যাক করে নিজস্ব মেসেজ বসিয়ে দিচ্ছে এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন কৌশল ও টুল ব্যবহার করে তারা পাসওয়ার্ড চুরি করে। পাসওয়ার্ড ক্র্যাকিংয়ের দ্রুততম কৌশল হচ্ছে ডিকশনারি অ্যাটাক। এই কৌশলে ডিকশনারির সব শব্দ একটি টেক্সট ফাইলে লোড করা হয় । তারপর এই ফাইলটি পাসওয়ার্ড ক্র্যাকিং অ্যাপ্লিকেশন বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন যেমন L0phtCrack-এ লোড করে ইউজার অ্যাকাউন্টের বিপরীতে চালনা করা হয় ।
আরেক ধরনের কৌশল হচ্ছে হাইব্রিড অ্যাটাক। ডিকশনারি শব্দের সাথে নম্বর বা সিম্বল যোগ করে এ্যাটাক করে । এই দুই কৌশলে যখন কাজ হয় না, তখন হ্যাকাররা ব্যবহার করে ব্রুটফোর্স পদ্ধতি। পাসওয়ার্ড খুব বেশি জটিল হলে এই ধরনের পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয় । আরো দুটি জনপ্রিয় কৌশল হল উইনগেট ও শেল অ্যাকাউন্টের ব্যবহার । উইনগেট একধরনের প্রক্সি যার মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। এই কৌশলে হ্যাকারের আইপি ঠিকানা চিহ্নিত করা যায় না। শেল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে দূরবর্তী কম্পিউটার এক্সেস করা যায় এবং যেকোনো কমান্ড দেয়া যায়। এ ছাড়া ব্যাকডোর, ট্রোজান, রুটকিট, এক্সপ্লয়েন্ট, বাফার ওভারফ্লো, এসকিউএল ইনজেকশান ইত্যাদি কৌশলেও হ্যাকাররা হ্যাকিং করে।

হ্যাকিং শুরু হওয়ার কিছু ইতিহাসঃ
১৯৬০ সালে এআইটি ল্যাবের কিছু ছাএ একটি প্রোগ্রামের কিছু শটকার্ট বের করেন তারপর থেকে তখন তাদের কে হ্যাকার বলা হত । এরপর ১৯৭০ সালে জন ড্রেপার টেলিফোন সিস্টেম হ্যাক করে বিনামূল্যে প্রচুর টেলিফোন করেন আর তখন থেকেই মুলত হ্যাকিং ব্যাপারটা জোরে শোরো শুরু হয় এই হ্যাকিংয়ের জন্য তাকে Captain Crunch নামে উপাধি দেয়া হয়েছিলো । Captain Crunch নামে খ্যাত জন ড্রেপার বেচারা হ্যাকিংয়ের দায়ে ওই বছরই গ্রেপ্তার হন ।
তবে হ্যাকিংয়ে উৎসাহ দেয়ার জন্য ১৯৮৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত Wargames মুভিটিকে অনেকেই দায়ী করেন । ১৯৮৩ সালে ৪১৪ নামে ছয়জন টিনএজ আমেরিকার বিভিন্ন প্রতিষ্টানের সিস্টেম অকেজো করে দেয় তবে তারা খুব তাড়াতাড়িই পুলিশের হাতে ধরা খান এবং wargames মুভিটি দেখে তার উৎসাহ পান বলে স্বীকার করেন ।
১৯৮৪ সালে প্রথমবারের মতো প্রকাশ হয় হ্যাকারদের ম্যাগাজিন ২৬০০।
১৯৮৬ সালে University of California এর অধিকাংশ হিসেবে ভুল আসার পর তদন্ত করে দেখা যায় এটা হ্যাকার দের কাজ পরবর্তীতে University of California তে হ্যাকিং এর দায়ে ৫ জন জামার্নকে গ্রেপ্তার করা হয় ।
১৯৮৬ সালে আমেরিকায় হ্যাকিংয়ের বিরুদ্ধে আইন করা হয়। ১৯৮৭ সালে হার্বাট জিন নামের ১৭ বছর বয়সী হাইস্কুল ছাত্রকে ১৯৮৬ সালের হ্যাকিং আইনে গ্রেফতার করা হয় এটিঅ্যান্ডটি ল্যাবের তথ্য চুরির অভিযোগে।১৯৮৮ সালে Cornell University এর রবার্ট মরিস একটি ইন্টারনেট ওয়ার্ম এর সাহায্যে ৬০০০ নেটওয়ার্ককে থামিয়ে দেয় তবে তিনি খুব দ্রুত গ্রেপ্তার হন এবং তাকে ৩ বছরের জেল সাথে ১০০০০ ডলার জরিমানা করা হয় ।
১৯৯৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লসএঞ্জেলেস একটি রেডিও স্টেশন একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করে যেখানে বলা হয় ১০২তম ফোনকারীকে তারা গাড়ি পুরস্কার দেবে। ফেভিন পলসেন রেডিও স্টেশনের টেলিফোন সিস্টেমে হ্যাক করে এমন ব্যবস্খা করেন যাতে তার ফোন ছাড়া অন্য কারো ফোন যেন রিসিভ না হয়। ফলাফল তিনি ঠিকই গাড়ি জিতে নেন। কিন্তু পরে গ্রেপ্তার হয়ে খাটতে হয় ৫১ মাসের জেল।
এছাড়া
Kevin Poulsen, Ronald Austin and Justin Peterson
এই তিনজন মিলেও ফোন লাইন সিস্টেম হ্যাক করে ২০০০০ ডলার জিতে নেয় তবে বেচারারাও পরে ধরা খায়।
১৯৯৪ সালে Richard Pryce ১৬ বছর বয়সী , যাকে alias Datastream Cowboy নামে জানা হয় সে প্রায় ১০০ কম্পিউটারের সিকিউরিটি সিস্টেম ভেংগে ফেলে যার মধ্যে নাসা,কোরিয়ান পারমিণবিক সংস্হা সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সংস্হার নেটওয়ার্ক ছিল।
এছাড়া হ্যাকিং জগতে অন্যতম বড় ব্যাংক ডাকাতি করেন রাশিয়ান গণিতবিদ ভাদিমির লেভিন। তিনি নিউইয়র্কের সিটি ব্যাংক থেকে কাস্টামারদের ১০ মিলিয়ন ডলার নিজের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি ইংল্যান্ডের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার হন এবং তিন বছর জেল খাটেন।সব টাকাই ফেরত পাওয়া যায় তবে ৪০ লাখ ডলার পাওয়া যায়নি।

পৃথিবীর সব বড় বড় হ্যাকার কারাঃ
ব্লাক হ্যাকারদের মাঝে কেভিন মিটনিককে বলা হয় হ্যাকারদের গুরু ।তার হ্যাকিং বিদ্যার জন্য তাকে গ্লেন কেজ উপাধি দেওয়া হয়।এই বিখ্যাত হ্যাকিং গুরুর বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছিলো তা হল 

·  Los Angeles এর বাস সিস্টেম হ্যাকিং করে ফ্রী ভ্রমণ

·  DEC সিস্টেম হ্যাকিং যার কারনে তাদের ১৬০০০০ ডলার ক্ষতি হয়েছিলো

·  Motorola, NEC, Nokia, Sun Microsystems and Fujitsu Siemens সিস্টেম হ্যাকিং

·  এফবিআই এর সিস্টেমে হ্যাকিং এর চেষ্টা
  • IBM এর মাইক্রোকম্পিউটার প্রজেক্টে এ্যাটাক

এছাড়াও শত শত নেটওয়ার্ক হ্যাকিংয়ের চেষ্টা ,ফ্রী কল করার হ্যাকিং ,বিভিন্ন মেইল সিস্টেম হ্যাকিং চেষ্টার শত শত অভিযোগ ছিল তবে তা প্রমাণ করা যায় নি।
তাকে জেলে পাঠানো হয় ২০০০ সালে কেভিন মুক্তি পান, তবে শর্ত ২০০৩ সালের আগে তিনি কোনো কম্পিউটার, সেল ফোন এবং ইন্টারনেটযুক্ত ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না। মিটনিকের ব্যতিক্রমী এবং শক্তিশালী হ্যাকিং কৌশলের জন্য হ্যাকার জেনারেশনের আদর্শ হয়ে আছেন। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির সিকিউরিটি কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করছেন।
কেভিন মিটনিকেরওয়েবসাইট
 ।
হ্যাকিং দুনিয়ার আরেকজন গুরু হল গ্যারি ম্যাককিনন। 

ধরা হয়, একটি মিলিটারি সিস্টেমে হ্যাক করে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় হ্যাকিংটি তিনিই করেছেন। ২০০০ ও ২০০১ সালে তিনি নাসা ও পেন্টাগনের ইনফরমেশন সিস্টেমে অ্যাটাক করেন। বর্তমানে তার ইন্টারনেটযুক্ত কোনো কম্পিউটার ব্যবহার নিষেধ।

এছাড়াও আরও অনেক বড় বড় হাকারা আছেন, তাদের খ্যাতিও কম না।
এমন হ্যাকারের সাথে পরিচয় হয়ে আসি।

gary mckinnon



Jonathan James



Kevin Poulsen


Adrian Lamo


এদেরও হ্যাকিং দুনিয়ার বস বলা হয় ।
হোয়াইট হ্যাট হ্যাকারদের মধ্যে অন্যতম গুরু বলা হয় সুতুমু শিমুমোরা। ১৯৯৪ সালে সানডিয়েগো সুপার কম্পিউটার সেন্টারে রিসার্চ সায়েন্টিস্ট হিসেবে কাজ করার সময় একজন হ্যাকার তার কম্পিউটার থেকে গোপনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ ফাইল চুরি করেন। সেই হ্যাকারটি ছিল কেভিন মিটনিক।


এরপর ১৯৯৫ সালে ট্রেস ডায়ালিং কৌশল এবং টেলিফোন লুপ সিগন্যাল ব্যবহার করে মিটনিকের অবস্হান চিহ্নিত করে এফবিআই’র হাতে ধরিয়ে শিমুমোরা প্রতিশোধ নেন।
বাংলাদেশ একজন হ্যাকার
শাহী মির্জার নাম আমরা অধিকাংশরাই জানি । র‌্যাবের ওয়েবসাইট হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে শাহী মির্জা আমাদের সামনে আসেন। তাহলে চলুন দেখি শাহী মির্জার হ্যাকিং কি ধরনের । শাহি মির্জাকে সহজ অর্থে হ্যাকার বলা যায় না । তবে তাকে Script kiddie হ্যাকার বলা যায় । Script kiddie রা অন্যের তৈরি করা হ্যাকিং টুল বা স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে হ্যাক করে থাকে যেমন কী লগার ব্যবহার করে হ্যাকিং । এধরনের হ্যাকিং প্রকৃত হ্যাকিং হতে অনেক সহজ ।
শাহী মির্জাও অন্যের তৈরী টুল ব্যবহার করে মুলত হ্যাকিং করেছিলো । এজন্য শাহী মির্জাকে যতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিলো ততটা দেওয়ার দরকার ছিলোনা ।তবে শাহী মির্জা নিজের বোকামির জন্যই ধরা পড়েছিলো । কারণ হ্যাকারদের সিস্টেম সম্বন্ধে অগাধ জ্ঞান থাকতে হয় না হয় জেলের ভাত নিশ্চিত ।
এছাড়া মাঝে মাঝে বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইটগুলো হ্যাকিংয়ের খবর আসে । কিছুদিন আগে সেনাবাহিনী , নৌবাহিনীর ওয়েবসাইট হ্যাকিং হয়েছিলো । আবার ইরানের কিছু হ্যাকার মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট হ্যাকিং করেছিলো আবার আজকে দেখলাম সরকারের কিছু ওয়েবসাইট ইন্ডিয়ান হ্যাকার দ্বারা হ্যাকিং এর শিকার হয়েছ নমুনা দেখতে  এখানে ক্লিক করুন । তবে একথা দিনের আলোর মত সত্য যে সরকারী ওয়েবসাইগুলোর নিরাপত্তা একেবারেই নিচু পর্যায়ে । জেলা পোটার্লগুলো মুলত ফ্রী জুমলা দিয়ে তৈরী করা হয়েছে । তবে সিকিউরিটি প্যাচ গুলো আপডেট করা হয়নি এজন্যই মুলত বাচ্চা হ্যাকাররা ছোটকালে শেখানো হ্যাকিং পদ্ধতি দিয়ে হ্যাকিঙ করেছে । সেদিক হতে বাংলাদেশে কোন ভালো হ্যাকার বা হ্যাকিং গ্রুপ গড়ে উঠে নাই। বাংলাদেশের ছেলেরা এখনও ফেইসবুক নিয়ে ব্যস্ত বলে তারা হ্যাকিংয়ের দিকে মনোযোগ দিতে পারে নাই ।
হ্যাকিং থেকে বাঁচার ছোট উপায়ঃ
হ্যাকারদের আক্রমণ হতে বাচতে পিসিতে ভালো এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন । ফায়ারওয়াল ব্যবহার করুন ।যেকোন একাউন্টের পাসওয়ার্ড দেওয়ার সময় অক্ষর,সংখ্যা,প্রতিকের মিশ্রণে পাসওয়ার্ড দিন। যতটা সম্ভব কঠিন পাসওয়ার্ড দিন। সন্দেহ হলে মেইল এর এটাচমেন্ট খুলা হতে বিরত থাকুন ।

আমার এই পোস্টের লেখাটির মুল আইডিয়াটি মাসিক একটি ম্যাগাজিন হতে পেয়েছি তারপর নিজের মত পরিবর্তন,পরিবর্ধন ফরম্যাটিং করে প্রকাশ করেছি।

আজকের মত এখানেই
খোদা হাফেজ


বিস্তারিত পড়ুন ... »